Now Reading
ঘামের সমস্যা সমাধান করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

ঘামের সমস্যা সমাধান করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

ঘামের সমস্যা সমাধান করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

এই গরমে অল্পবিস্তর ঘাম সকলকেই বিব্রত করে৷ কিন্তু আপনি যদি সব সময় ঘামতে থাকেন তাহলে ডাক্তার দেখানো জরুরী হয়ে পড়েছে। কেননা অতিরিক্ত ঘাম উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা, অত্যাধিক ষ্ট্রেস এমনকি পুষ্টির ঘাটতির কারণে হতে পারে। ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড কিংবা ওবেসিটি সংক্রান্ত সমস্যা থাকে তাহলে ঘাম হয়। আর কমবেশী সবাই ঘামি, তাই ঘামের সমস্যা সমাধান হোক ঘরোয়া পদ্ধতিতে।

অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার:

এর অ্যাস্ট্রিনজেন্ট প্রপার্টি আপনার শরীরের পিএইচ ব্যালেন্স বজায় রাখতে সাহায্য করে, ফলে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায়৷ গোসলের শেষে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার মেশানো পানি গায়ে ঢালতে পারেন৷ বা সমান পরিমাণ অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার আর পানি মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করে সেটা তুলো দিয়ে লাগাতে পারেন উপদ্রুত অংশগুলিতে৷ অ্যান্টি পার্সপিরেন্ট হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ত্বকের ছিদ্রগুলি বন্ধ রাখতেও সাহায্য করবে এই মিশ্রণ৷ রাতে শোওয়ার আগে লাগিয়ে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেললেও ভালো ফল পাওয়া যায়৷

পাতি লেবু:

অতিরিক্ত ঘাম ও দুর্গন্ধের জন্য যে ব্যাকটেরিয়াগুলি দায়ী, সেগুলির বিনাশে খুব কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে লেবুর রসে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড৷ ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলে কমবে ঘামের দুর্গন্ধও, তাই লেবুর রস প্রাকৃতিক ডিওডোরান্ট হিসেবে কাজ করে, এমনটাও বলা যায়৷ এক চাচামচ লেবুর রস আর সম পরিমাণ বেকিং সোডা দিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে নিন৷ রাতে শুতে যাওয়ার আগে শরীরের যে সব জায়গায় অতিরিক্ত ঘাম হয়, সেখানে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে নিন তুলো দিয়ে৷ আধ ঘণ্টা পরে ধুয়ে নিন৷ একটা লেবু অর্ধেক করে কেটে বাহুমূলে ঘষে নিন ভালো করে, সারা রাত রেখে পরদিন সকালে উঠে ধুয়ে নেবেন৷

নারকেল তেল:

যে সব ব্যাকটেরিয়ার কারণে অতিরিক্ত ঘাম হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করে নারকেল তেলের লরিক অ্যাসি়ড৷ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে স্নান করুন ভালো করে৷ যেখানে বেশি ঘাম হয়, সেখানে কোল্ড প্রেসড নারকেল তেল লাগিয়ে নিন তারপর৷ মিনিট ৪৫ ম্যাসাজ করতে পারলে খুব ভালো, কারণ তা হলে আপনার ত্বক তেলটা শুষে নেবে৷ পরদিন সকালে স্বাভাবিক উষ্ণতার পানিতে ধুয়ে ফেলুন৷ প্রতিদিন এই নিয়মটা চালিয়ে গেলে সুফলটা নিজেই বুঝতে পারবেন৷

আলু:

See Also
আপনার অ্যাংজাইটি অ্যাটাক হচ্ছে কিনা বুঝবেন কীভাবে?

অ্যান্টি পার্সপিরেন্ট ও ব্লকিং এজেন্ট হিসেবে আলু কাজ করে৷ তা শরীর থেকে বাড়তি পানিও শুষে নেয়৷ এক টুকরো আলু কেটে নিয়ে ত্বকের যে সব অংশে বেশি ঘাম হয়, সেখানে পাঁচ মিনিটের জন্য ঘষে নিন৷ জায়গাটা শুকনো হয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন৷ আলু কুরে বা ছেঁচে নিয়ে রস বের করেও ঘাম-প্রবণ অংশগুলিতে লাগাতে পারেন তুলো দিয়ে৷ বাড়তি রসটা একটা কাচের মুখ বন্ধ কৌটোয় ভরে ফ্রিজে রেখে দিন৷ ৩-৪দিন বেশ ভালো থাকে৷

কালো চা:

চায়ে উপস্থিত ট্যানিক অ্যাসিড ঘামের উপদ্রব কমাতে উল্লেখযোগ্য সাহায্য করতে পারে৷ এর অ্যাস্ট্রিনজেন্ট প্রপার্টি ঘর্মগ্রন্থিকে দৃঢ়সংবদ্ধ রাখে, ফলে ঘাম কম হয়৷ অল্প উষ্ণ পানিতে কয়েকটি টি-ব্যাগ রেখে দিন, কিছুক্ষণ পর লিকার বেরিয়ে আসবে৷ তখন সেই মিশ্রণটা কাচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে এক সপ্তাহ ব্যবহার করতে পারবেন৷ তুলোয় করে অল্প মিশ্রণ নিয়ে অতিরিক্ত ঘাম হয়, এমন অংশে লাগান৷ শুকিয়ে গেলে গরম পানিতে ধুয়ে নিন৷

What's Your Reaction?
Excited
0
Happy
0
In Love
0
Not Sure
0
Silly
0
View Comments (0)

Leave a Reply

Scroll To Top