Now Reading
ত্বকের যত্নে জেনে নিন দুধের আশ্চর্য কয়েকটি ব্যবহার!

ত্বকের যত্নে জেনে নিন দুধের আশ্চর্য কয়েকটি ব্যবহার!

ত্বকের যত্নে জেনে নিন দুধের আশ্চর্য কয়েকটি ব্যবহার!

শুধু শরীর-স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, আমাদের ত্বকের জন্যেও দুধ অত্যন্ত উপকারী! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক.পুষ্টিবিদরা দুধকে সুসম আহারের তালিকায় রেখেছেন। চিকিৎসকদের মতে, রাতে উষ্ণ দুধ খেয়ে শুতে পারলে ভাল ঘুম হয়। একই সঙ্গে ত্বক কোমল ও দীপ্তিময় হয়ে ওঠে। বেকফাস্টেও দুধ খেতে পারেন। যাঁরা সকালে জিম বা শরীরচর্চা করেন, তাঁদের জন্য ব্রেকফাস্টে দুধ অপরিহার্য। তবে শুধু শরীর-স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, আমাদের ত্বকের জন্যেও দুধ অত্যন্ত উপকারী! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক…

১) শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় দুধ অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ত্বকের রুক্ষ, শুষ্ক ভাব কাটাতে ১ কাপ দুধের সঙ্গে একটা কলা চটকে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এ বার এই প্যাক ৩০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ফল পাবেন হাতেনাতে।

২) ত্বকে ট্যান পড়েছে? ত্বকের ট্যান তুলতে আধা কাপ দুধের সঙ্গে সমপরিমাণ গ্রিন টি মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণ তুলোয় ভিজিয়ে গোটা মুখে আলতো করে মাখিয়ে নিন। তার পর মিনিট পনেরো রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন স্নানের আগে এই পদ্ধতি কাজে লাগালে দ্রুত ফল পাবেন।

৩) ক্লিনজার হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোয় করে দুধ গোটা মুখে আলতো করে মাখিয়ে নিন। আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে মিনিট দশেক মালিশ করে উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন।

See Also
প্রায় প্রতিদিনই কোভিড 19 সংক্রান্ত নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে প্রকাশ্যে। যে কোনও নতুন ব্যাধির ক্ষেত্রে অবশ্য সেটাই স্বাভাবিক। যত দিন যাবে, তত বেশি গবেষণা হবে এবং আমাদের সামনে উন্মোচিত হবে তার আসল চেহারা। তবে একেবারে সাম্প্রতিক যে সংবাদটি ভুরুতে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিতে পারে, তা হল ওবেসিটি বা বাড়তি ওজন যাঁদের আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রোগ খুব দ্রুত গতিতে বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। বি এম বিড়লা হার্ট রিসার্চ সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. ধীমান কাহালি বলছেন, “আপাতত আমাদের হাতে উহানের সংক্রমণ ও মৃত্যুহার সংক্রান্ত যে সব তথ্য এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে যে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে 60 শতাংশের হাই ব্লাডপ্রেশারের সমস্যা ছিল, 42 শতাংশ ভুগতেন ডায়াবেটিসে, 23 শতাংশ ছিলেন ওবিস, 23 শতাংশের সমস্যা ছিল বাড়তি কোলেস্টেরল, 8-10 শতাংশের সমস্যা ছিন কিডনি বা হৃদযন্ত্রে। বিশ্বের নানা প্রান্তে হওয়া গবেষণার ফলও মোটামুটিভাবে এই রকমই। একথা খুব ঠিক যে, ওবিস পেশেন্টরা এই রোগে আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি খুব দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। তাই আমরা বার বার সবাইকে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিচ্ছি।" ভারতীয় এবং বাঙালিদের ক্ষেত্রে বাড়তি ওজন তো নিশ্চিতভাবেই একটা সমস্যার জায়গা। তার পর যবে থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে, তবে থেকে যে হারে খাওয়াদাওয়া চলছে এবং সোশাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছে জমাটি রান্নার পোস্টে, সেটাও চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো ভয়ানক। “সেই সঙ্গে আমরা অনেকের ক্ষেত্রেই দেখছি তাঁরা জল কম খাচ্ছেন, পুরো দিনের অনেকটা সময় বসে কাটাচ্ছেন এবং খিদে না পেলে বা ইচ্ছে না থাকলেও বাড়ির সকলকে সঙ্গ দিতে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খেয়ে ফেলছেন। সেটাও বন্ধ করতে হবে পরিস্থিতির রাশ হাতে রাখতে গেলে’’, বলছেন পুষ্টিবিদ যাজ্ঞসেনী আম্বলি। এ বিষয়ে কোনও সন্দেহই নেই যে যত বেশি খাবেন, তত দ্রুতহারে ওজন বাড়তে বাধ্য। খিদে না পাওয়া পর্যন্ত খাবেন না। প্রতিদিন 10-12 গ্লাস জল খাওয়াটাও একান্ত জরুরি। বিকেলবেলা একগাদা ভাজাভুজি খেয়ে ফেললেন, রাতের খাবার খেলেন অনেক দেরিতে। আবার বেলায় ঘুম থেকে উঠে জলখাবারের পাট চুকলো দুপুর গড়িয়ে, খানিক বাদেই আবার বসে পড়লেন ভাতের পাতে, ওসব চলবে না একেবারেই। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরুন পুরোনো রুটিনে। যাঁরা দুপুরে ভাত খেয়ে উঠে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যেস তৈরি করেছেন, তাঁরাও সাবধান। এত কম অ্যাকটিভিটি কারও রোজের রুটিন হতে পারে না। ডা. কাহালি রোজ কিছু ব্যায়াম করার পরামর্শও দিচ্ছেন সেই সঙ্গে, "প্রাণায়াম করুন, সিংহক্রিয়া, কপালভাতি অভ্যেস করতে পারলেও খুব ভালো হয়। চেষ্টা করুন যেন ওজন, সুগার, প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যাঁদের শরীর মোটের উপর সুস্থ, তাঁদের এই রোগ তেমন কাবু করতে পারছে না। খুব হিসেব করে খান। এখন থেকে সাবধানে পা ফেলার এবং সুস্থ, নীরোগ জীবন কাটানোর অভ্যেস গড়ে তুলতে পারলে খুব ভালো হয়। কারণ এ কথা খুব ঠিক যে, আগামী বেশ কিছুদিন আমাদের এই রোগটির সঙ্গে লড়াই করতে হবে। তাই সাবধানের মার নেই – এই আপ্তবাক্য মাথায় রেখে চলুন।" পরের স্টোরি :

৪) ত্বকের ডেড সেল বা মরা চামড়া তুলতে দুধ ও মধু মিশিয়ে মিনিট পনেরো স্ক্রাব করুন। তার পর উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন। ফল পাবেন হাতেনাতে।

৫) পায়ের গোড়ালির ত্বক রুক্ষ আর শক্ত? হালকা উষ্ণ দুধে ও জল মিশিয়ে তার মধ্যে পা ডুবিয়ে কিছু ক্ষণ (অন্তত ১৫-২০ মিনিট) বসে থাকুন। তার পর হালকা করে ঘষে নিন। দেখবেন পায়ের গোড়ালি নরম আর পরিষ্কার হয়ে যাবে।

What's Your Reaction?
Excited
0
Happy
0
In Love
0
Not Sure
0
Silly
0
View Comments (0)

Leave a Reply

Scroll To Top