Now Reading
নিজের দেহভঙ্গিমা টানটান করে তুলতে চান?

নিজের দেহভঙ্গিমা টানটান করে তুলতে চান?

বাড়িতে বসে যবে থেকে কাজ করতে আরম্ভ করেছেন, তবে থেকেই কি কোমরে, পিঠে ব্যথা বড়ো ভোগাচ্ছে? ডাক্তার, ফিজিওথেরাপিস্ট, যোগ বিশেষজ্ঞ, যাঁর সঙ্গেই যোগাযোগ করুন না কেন, তিনি প্রথমেই বলবেন পশ্চার বা দেহভঙ্গিমা ঠিক রাখার কথা। বাড়িতে থাকার সময় আমরা সাধারণত পিঠ সোজা করে টানটান হয়ে বসে কাজ করি না। সোফায় এলিয়ে শুয়ে বা বিছানায় উপুড় হয়ে ল্যাপটপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করেন অনেকেই, আর তার ফলেই বাড়ছে শারীরিক অস্বস্তি। কিন্তু জানেন কি, সাধারণ কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হলেই এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব? কোলকুঁজো হয়ে থাকবেন না। অনেকে একেবারে ছেলেবেলা থেকেই বসার সময় পিঠটা গুটিয়ে নেন গোল করে। তেমন কোনও শিশুকে দেখলেও নিজের দায়িত্বে সাবধান করুন। পিঠ টানটান না থাকলে বাড়তি চাপ পড়বে আপনার মেরুদণ্ড ও পিঠের মাসলের উপর। সব সময়েই যাঁরা কুঁজো হয়ে থাকেন, তাঁদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গেও একইভাবে চাপ পড়ে -- কার্যত পিঠের ব্যথা ছাড়াও দেখবেন আপনার হজমের অসুবিধে হচ্ছে, শ্বাস নেওয়ার সময়ে যথেষ্ট অক্সিজেন পাচ্ছে না ফুসফুস। তাই চেয়ারেই বসুন বা মাটিতে, পিঠ সবসময় টানটান রাখতে হবে, পেট টেনে রাখুন ভিতর দিকে। যখন দাঁড়াবেন বা হাঁটবেন, তখন শরীর যেন টানটান থাকে তা দেখতে হবে। কাঁধ থাকবে পিছনে, পেট টেনে রাখুন ভিতরে। মাথা থাকবে সোজা, চিবুক উন্নত। চেয়ারে বসে কাজ করার সময়েও খেয়াল রাখতে হবে এই ভঙ্গিমার কথা। চেয়ারে বসে কাজ করার সময় পা যেন মাটিতে সমানভাবে থাকে। টানা নিচের দিকে তাকিয়ে কাজ করলে বা স্মার্ট ফোন দেখলে কিন্তু ঘাড়ে ব্যথা হবে। যাঁরা খুব নরম গদিতে শুতে অভ্যস্ত, তাঁরা বদল আনুন শোওয়ার অভ্যেসে। খুব শক্ত বা নরম বালিশে শুলেও কিন্তু একইভাবে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। যদি পেট আর কোমরে বাড়তি ফ্যাট থাকে, তা হলেও কিন্তু পশ্চার খারাপ হয়ে যাওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েই যায়। এমন কিছু যোগমুদ্রা আছে, যা আপনার পশ্চার ঠিক করতে পারে। তবে, যে কোনও ব্যায়ামের ক্ষেত্রেই আমরা যে কথাটি বলে থাকি, এক্ষেত্রেও তাই বলব – অবশ্যই আপনার ট্রেনার বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করবেন। খুব ভালো কিছু অনলাইন টিউটোরিয়াল হয়, সেগুলি দেখেও করা যায়। তবে আয়নার সামনে অভ্যেস করতে পারলে ভালো হয় – অন্তত মুদ্রাগুলি ঠিক হচ্ছে কিনা দেখে বুঝতে পারবেন। উৎকটাসন, বীরভদ্রাসন, নৌকাসন, তদাসন, ভুজঙ্গাসন, মৎসেন্দ্রাসন, সেতুবন্ধনাসন, উত্তানাসন, অর্ধচন্দ্রাসন আপনার দেহভঙ্গিমা সুন্দর করে তোলে। তবে অভ্যাস করার আগে একবার আপনার ডাক্তার বা ট্রেনারের সঙ্গে কথা বলে নিন অবশ্যই।

বাড়িতে বসে যবে থেকে কাজ করতে আরম্ভ করেছেন, তবে থেকেই কি কোমরে, পিঠে ব্যথা বড়ো ভোগাচ্ছে? ডাক্তার, ফিজিওথেরাপিস্ট, যোগ বিশেষজ্ঞ, যাঁর সঙ্গেই যোগাযোগ করুন না কেন, তিনি প্রথমেই বলবেন পশ্চার বা দেহভঙ্গিমা ঠিক রাখার কথা। বাড়িতে থাকার সময় আমরা সাধারণত পিঠ সোজা করে টানটান হয়ে বসে কাজ করি না। সোফায় এলিয়ে শুয়ে বা বিছানায় উপুড় হয়ে ল্যাপটপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করেন অনেকেই, আর তার ফলেই বাড়ছে শারীরিক অস্বস্তি। কিন্তু জানেন কি, সাধারণ কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হলেই এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব?

কোলকুঁজো হয়ে থাকবেন না। অনেকে একেবারে ছেলেবেলা থেকেই বসার সময় পিঠটা গুটিয়ে নেন গোল করে। তেমন কোনও শিশুকে দেখলেও নিজের দায়িত্বে সাবধান করুন। পিঠ টানটান না থাকলে বাড়তি চাপ পড়বে আপনার মেরুদণ্ড ও পিঠের মাসলের উপর। সব সময়েই যাঁরা কুঁজো হয়ে থাকেন, তাঁদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গেও একইভাবে চাপ পড়ে — কার্যত পিঠের ব্যথা ছাড়াও দেখবেন আপনার হজমের অসুবিধে হচ্ছে, শ্বাস নেওয়ার সময়ে যথেষ্ট অক্সিজেন পাচ্ছে না ফুসফুস। তাই চেয়ারেই বসুন বা মাটিতে, পিঠ সবসময় টানটান রাখতে হবে, পেট টেনে রাখুন ভিতর দিকে।

যখন দাঁড়াবেন বা হাঁটবেন, তখন শরীর যেন টানটান থাকে তা দেখতে হবে। কাঁধ থাকবে পিছনে, পেট টেনে রাখুন ভিতরে। মাথা থাকবে সোজা, চিবুক উন্নত। চেয়ারে বসে কাজ করার সময়েও খেয়াল রাখতে হবে এই ভঙ্গিমার কথা। চেয়ারে বসে কাজ করার সময় পা যেন মাটিতে সমানভাবে থাকে। টানা নিচের দিকে তাকিয়ে কাজ করলে বা স্মার্ট ফোন দেখলে কিন্তু ঘাড়ে ব্যথা হবে। যাঁরা খুব নরম গদিতে শুতে অভ্যস্ত, তাঁরা বদল আনুন শোওয়ার অভ্যেসে। খুব শক্ত বা নরম বালিশে শুলেও কিন্তু একইভাবে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। যদি পেট আর কোমরে বাড়তি ফ্যাট থাকে, তা হলেও কিন্তু পশ্চার খারাপ হয়ে যাওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েই যায়।

এমন কিছু যোগমুদ্রা আছে, যা আপনার পশ্চার ঠিক করতে পারে। তবে, যে কোনও ব্যায়ামের ক্ষেত্রেই আমরা যে কথাটি বলে থাকি, এক্ষেত্রেও তাই বলব – অবশ্যই আপনার ট্রেনার বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করবেন। খুব ভালো কিছু অনলাইন টিউটোরিয়াল হয়, সেগুলি দেখেও করা যায়। তবে আয়নার সামনে অভ্যেস করতে পারলে ভালো হয় – অন্তত মুদ্রাগুলি ঠিক হচ্ছে কিনা দেখে বুঝতে পারবেন। উৎকটাসন, বীরভদ্রাসন, নৌকাসন, তদাসন, ভুজঙ্গাসন, মৎসেন্দ্রাসন, সেতুবন্ধনাসন, উত্তানাসন, অর্ধচন্দ্রাসন আপনার দেহভঙ্গিমা সুন্দর করে তোলে। তবে অভ্যাস করার আগে একবার আপনার ডাক্তার বা ট্রেনারের সঙ্গে কথা বলে নিন অবশ্যই।

What's Your Reaction?
Excited
0
Happy
0
In Love
0
Not Sure
0
Silly
0
Scroll To Top