Now Reading
আচমকা বৃষ্টি আর তাপমাত্রার পরিবর্তন থেকে সাবধানতা অবলম্বন করছেন তো?

আচমকা বৃষ্টি আর তাপমাত্রার পরিবর্তন থেকে সাবধানতা অবলম্বন করছেন তো?

আচমকা বৃষ্টি আর তাপমাত্রার পরিবর্তন থেকে সাবধানতা অবলম্বন করছেন তো?

জৈষ্ঠ্য মাসের প্রবল দাবদাহ উধাও, বরং আচমকা ঝড়বৃষ্টি হয়ে তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে মাঝে মাঝেই। এতটাই ফারাক হচ্ছে দিন-রাতের তাপে যে ঘুমের মাঝে ভোরের দিকে গায়ে চাদর টানতে হচ্ছে। ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. জয়দীপ ঘোষ বলছেন, “তাপমাত্রার এই বিরাট ফারাকটাই আমাদের শরীর নিতে পারে না। বিশেষ করে যাঁরা একটু দুর্বল বা ইমিউনিটি কম, তাঁদের বেশি সমস্যা হয়। ভাইরাল ফিভার বা সর্দি-কাশিতে তাঁরা কাবু হয়ে পড়েন সাধারণত। আর বৃষ্টির জমা পানিতে কিন্তু মশার বংশবৃদ্ধি হয়। তাই বাড়ির আশে পাশে কোথাও পানি জমতে দেবেন না।”

মরণ করোনা ভাইরাস ঘরবন্দি করে ছেড়েছে গোটা দুনিয়াকে। তার মধ্যে যদি মশা বাড়ে, তা হলে কিন্তু ডেঙ্গু আর ম্যালেরিয়াও হানা দেবে খুব দ্রুত। তাই বৃষ্টির পানি  কোথাও জমতে দেবেন না। ঝড়ের দাপটে টব ভাঙতে পারে — যত শিগগির সম্ভব সে সব ভাঙা টুকরো সরিয়ে ফেলুন। কোথাও বাতিল টায়ার, নারকেলের খোল ইত্যাদিও পড়ে থাকতে দেবেন না — তাতেও পানি জমতে পারে। ইদানীং বহু গাড়ি আমাদের সবার বাড়ির আশপাশেই পড়ে আছে অব্যবহৃত অবস্থায় –- সেগুলি মশার আঁতুড়ঘর হয়ে উঠছে কিনা তা দেখতে হবে খতিয়ে। আপনার রোজের গায়ে মাখার তেলে সিট্রোনেলা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে রাখতে পারেন। তা গায়ে-হাতে-পায়ে মাখলে মশা কামড়াবে না।

লকডাউনের জেরে যেহেতু আমরা অনেকেই এখন বাড়িতেই আছে, তাই তাপমাত্রার ফারাক হলেও খুব একটা টের পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টিতে ভিজে নাকাল হয়ে এসিতেও দুম করে ঢুকছেন না বেশিরভাগ মানুষ। তাই ভাইরাল ফিভার এমনিতেই কম হচ্ছে এ বছর। তা ছাড়া বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছে না, সর্দি-কাশি হয়েছে এমন কেউ আপনার খুব কাছাকাছি চলে আসার সুযোগও পাবেন না চট করে। তাই সেই ধরনের সংক্রমণের সংখ্যা কম। কিন্তু ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়া ছড়াতে আরম্ভ করলে মুশকিল হবে।

See Also
ওজন বাড়ছে? সকালে এই কাজগুলি করছেন না তো আপনি?

বাড়ি ও তার আশপাশ পানিহীন রাখার পাশাপাশি কয়েকটা নিয়ম মেনে চলুন। বাড়ি ঝাড়পোঁছ করে পরিষ্কার রাখতে হবে। যাঁদের চৌবাচ্চা আছে, তাঁরে বেশি সাবধান। স্থির, বদ্ধপানিতে ডেঙ্গুর মশা ডিম পাড়ে। মশা হলে তা নির্মূল করার জন্য যে পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর মনে হবে তা মেনে চলুন। অনেকে বলেন যে পাতিলেবু অর্ধেক করে কেটে, তার মধ্যে লবঙ্গ গুঁজে ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে রাখলে মশা বাড়তে পারে না। এই পদ্ধতি ট্রাই করে দেখতে পারেন। ডিফিউসারে সিট্রোনেলা তেল দিয়ে জ্বালানো যায়। তার গন্ধেও মশা আসে না।

What's Your Reaction?
Excited
0
Happy
0
In Love
0
Not Sure
0
Silly
0
Scroll To Top